বিশ্ব নদী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ‘নদী বাঁচাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় নদী দখল ও দূষণ বন্ধ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা রক্ষা এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত ও ন্যায্য রূপান্তরের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় স্থানীয় সংগঠনগুলোর উদ্যোগে দেশের মোট ৯টি এলাকায় মানববন্ধন, আলোচনা সভা, র্যালি, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিগুলো অনুষ্ঠিত হয় পটুয়াখালীর কলাপাড়া, বরগুনার পাথরঘাটা ও তালতলী, মোংলা, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও পেকুয়া, মহেশখালী এবং বরগুনা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায়।
পাথরঘাটায় বিষখালী নদীর তীরে আয়োজিত মানববন্ধনে নদী দখল ও দূষণ বন্ধ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর দাবি জানানো হয়। কলাপাড়ায় আন্ধারমানিক নদীর সীমানা নির্ধারণ, দখল ও দূষণ বন্ধ, নদীর তীরবর্তী ইটভাটা অপসারণ এবং নদীঘেঁষা কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সৃষ্ট দূষণ বন্ধের দাবি উঠে আসে।
কুতুবদিয়ায় ঐতিহাসিক পাইলটকাটা খালের দখল ও দূষণ বন্ধ করে এর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। অন্যদিকে, মোংলায় নদীতে ফুল ছিটানো ও প্রতীকী কাগজের নৌকা ভাসানোসহ বিভিন্ন প্রতীকী কর্মসূচি পালন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে বক্তারা নদী, সুন্দরবন ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত ও ন্যায্য রূপান্তরের আহ্বান জানান।
অন্যান্য এলাকাতেও নদী রক্ষা, নদী দখল ও দূষণ বন্ধ, নদীর নাব্যতা ও স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং নদীনির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকা সুরক্ষার দাবি জানানো হয়।
বিশ্ব নদী দিবসের এসব কর্মসূচি থেকে নদী দখল ও দূষণ বন্ধ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা নিশ্চিত, নদীনির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকা ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত ও ন্যায্য রূপান্তরের আহ্বান জানানো হয়।















